• Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
HC Directed To Pay Taka 15 Lac Each To The Child Victim Of Paracetamol Syrup

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ভেজাল প্যারাসিটামল ঔষধ সেবন করে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের ১৫ লক্ষ টাকা করে দেয়া হাইকোর্টের রায় প্রকাশিত হয়েছে

ভেজাল প্যারাসিটামল ঔষধ সেবন করে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ২০১০ সালে মিডিয়ায় সংবাদ এর সূত্র ধরে HRPB জনস্বার্থে একটি রীট পিটিশন দায়ের করলে আদালত রুল জারি করেন এবং কয়েকটি নির্দেশনা দেয় যার মধ্যে অন্যতম হল ভেজাল ঔষধ নিয়ন্ত্রণে গাইড লাইন তৈরী এবং এ্যান্টিবায়োটিক এর মান যাচাই করার জন্য ল্যাবরেটরি টেস্ট এবং মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি। এগুলো বাস্তবায়নে হওয়া পরে রুলের শুনানী শেষ হয় এবং মামলার রায় হয়েছে গত ০২.০৬.২০২২ ইং তারিখে। রুল এ্যাবসিলিউড করে রায় দিয়ে কতিপয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট ডিভিশন বিচারপতি মোঃ আশরাফুল কামাল এবং বিচারপতি রাজিক আল জলিল।

নির্দেশনা সমূহঃ

১। প্রত্যেক ব্যক্তির বিনামূল্যে সকল প্রকার চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া তার সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার এবং এ অধিকার তার বেঁচে থাকার অধিকার (right to life) এর অন্তর্ভূক্ত।

২। ঔষধে ভেজাল মিশ্রণ বন্ধে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (সি) মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রতিপক্ষগণকে নির্দেশ প্রদান করা হল।

৩। ১৯৯১ সালে ৭৬ জন এবং ২০০৯ সালে ২৮ জন শিশুর মৃত্যু ঔষধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষের কঠিন দায় (STRICK LIABILITY)

৪। ১৯৯১ সালের ৭৬ জন এবং ২০০৯ সালের ২৮ জন শিশুর প্রত্যেক পরিবারকে ১৫০০০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা হারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য ঔষধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করা হলো। (ঔষধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষ উক্ত ক্ষতিপূরনের টাকা—সংশ্লিষ্ট দায়ী ব্যক্তি, ঔষধ কোম্পানী থেকে আদায় করতে হকদার হবেন) ।

৫। একটি স্বাধীন জাতীয় ভেজাল ঔষধ প্রতিরোধ কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করা হলো।

৬। দরখাস্তকারী কর্তৃক বিগত ইংরেজী ০২.০৬.২০২২ তারিখে দাখিলকৃত সম্পূরক হলফনামায় বর্ণিত পরামর্শসমূহ বিবেচনার জন্য প্রতিপক্ষগণকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

পরামর্শ সমূহঃ

১। মার্চ ২৩, ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ গেজেট-এ অতিরিক্ত প্রকাশিত জাতীয় ঔষধ নীতি-২০১৬ দ্রুত বাস্তবায়নের পরামর্শ প্রদান করা হলো।

২। যুক্তরাজ্যের আদলে আমাদের দেশের জনগণের চিকিৎসা সেবা অবকাঠামো তৈরী করার পরামর্শ প্রদান করা হলো।

শুনানীতে বাদী HRPB পক্ষে সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হল বেঁচে থাকার অধিকার। কিন্তু ভেজাল ঔষধ এর কারণে অনেককে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ ধারায় ভেজাল ঔষধের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও তা কার্যকর হয়নি প্রায়ই।

রায়ে আদালত বলেন দেশের আপামর জনসাধারনের করের টাকায় সাংবিধানিক পদাধিকারী ব্যক্তিগণসহ সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ বিদেশে হরহামেশায় সরকারী অর্থে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। এমনকি বাংলাদেশের প্রায় সকল রাজনৈতিক দলের উচ্চপর্যায়ের নেতা ও নেত্রীবৃন্দগণকেও আমরা দেখি হরহামেশাই বিদেশে চিকিৎসার জন্য গমন করতে। কিন্তু সাধারণ জনগণের বিদেশে উন্নত চিকিৎসা গ্রহনের নূন্যতম কোন সুযোগ নেই। অর্থাৎ যে জনগণের টাকায় উপরোল্লিখিত ব্যক্তিগণ বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য গমন করেন সেই জনগণের কিন্তু বিদেশে উন্নত চিকিৎসা করার কোন সুযোগ নেই।

এছাড়া রায়ে HRPB দাবীকৃত ০২.০৬.২০২২ ইং তারিখের হলফনামায়া ৩১ দফা নির্দেশনা বিবেচনার জন্য আদালত বিবাদীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহায়তা করেন এডভোকেট রিপন বাড়ৈ, এডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। বিবাদী পক্ষে ছিলেন এডভোকেট মোঃ আসাদুজ্জামান।

 

বার্তা প্রেরক-

মনজিল মোরসেদ

সিনিয়র এডভোকে