• Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
  • Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)
HC Directed to Take Steps Against Illegal Gas Connection to Household and Industries

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে গ্যাস আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে HRPB এর করা রীটে হাইকোর্টের রায়

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে হাজার হাজার গ্যাস সংযোগ দিয়ে দূর্নীতি করা হচ্ছে মর্মে মিডিয়া সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে Human Rights and Peace for Bangladesh (HRPB)-এর একটি রীট পিটিশন দায়ের করলে ০৮.১১.২০১২ইং সালে রুল জারি করে হাইকোর্ট। উক্ত রুলে শুনানী শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি মোঃ আতাবুল্লাহ আদালত রায় প্রদান করে রুল আংশিক এ্যাবসল্যুট করেন এবং কতৃপয় নির্দেশনা দেন।

শুনানীতে HRPB পক্ষের কৌশুলি সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, বাড়ি—ঘরে সরকারের গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকলেও হাজার হাজার মানুষ অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে গ্যাস ব্যবহার করছে কিন্তু সরকারের রাজস্ব খাতে উক্ত অর্থ যাচ্ছে না। যেহেতু গ্যাস সংযোগ একটি টেকনিক্যাল কাজ সুতরাং গ্যাস বিভাগের ঠিকাদার বা কর্মকর্তা ছাড়া হাজার হাজার লাইন নিয়ে জনসাধারণ গ্যাস ব্যবহার করতে পারেন না। গ্যাস বিভাগের কর্মকতা ও ঠিকাদাররা অবৈধভাবে লাইন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা নিজেদের পকেটে ভরছেন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন জায়গায় তিতাস কতৃর্পক্ষ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার কারণে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় না। এডভোকেট মনজিল মোরসেদ আরও বলেন, বছরের পর বছর যেসমস্থ ভোক্তা সরকারের কোষাগারে অর্থ জমা না করে গ্যাস ব্যবহার করছেন তাদের বিরুদ্ধে গ্যাস আইন, ২০১০ এর ধারা ১০, ১২ এবং ১৯ অনুসারে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। যার কারণে এক্ষেত্রে দুর্নীতি অব্যাহত ভাবে চলছে এবং সরকার কোটি কোটি টাকা বঞ্চিত হচ্ছে। সে কারণে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকারী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান। আদালত রায় দিয়ে নিন্মোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেন—

নির্দেশনা সমূহঃ—

১। জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব-কে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দিয়ে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবৈধ গ্যাস সংযোগ এর অভিযোগ তদন্ত এবং এর সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা, ঠিকাদারদের তালিকা তৈরি করে উক্ত কমিটি ৬ মাসের মধ্যে এভিডেভিট করে আদালতে দাখিল করবেন।

২। জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব-কে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট একটি নির্দেশনা জারি করতে বলেছেন, যে যেসমস্থ কর্মকর্তা বা ঠিকাদার অবৈধ গ্যাস সংযোগের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে গ্যাস আইনের ১০, ১২ এবং ১৯ ধারা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে নির্দেশ দেন। তিতাস গ্যাসের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর—কে যেসকল ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অবৈধ গ্যাস সংযোগ এর অভিযোগ রিপোর্টে উল্লেখিত হবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করার নির্দেশ দেন।

৩। জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব—কে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে বলেছেন, যেখানে বুয়েটের ভাইস—চ্যান্সেলর কতৃর্ক মনোনিত একজন প্রতিনিধি থাকবেন। উক্ত কমিটি ৬ মাসের মধ্যে ২০১২ সাল থেকে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীরা কি পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করছে তার পরিমাণ অর্থে নির্ধারণ করবেন এবং অর্থ সচিবকে উক্ত অর্থ পাবলিক ডিমান্ড রিকোভারী এ্যাক্ট, ১৯১৩ এর বিধান অনুসারে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারী ভোক্তাদের নিকট হতে অর্থ আদায়ের নির্দেশ দেন।

৪। দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান—কে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও চট্টগ্রাম এ অবৈধ গ্যাস কানেকশনের বিষয় তদন্ত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিদেশ দেন।

৫। আদালত রীট পিটিশনটি চলমান (Continue Mandamus) হিসেবে রেখেছেন।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র এডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহায়তা করেন এডভোকেট এডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল। বিবাদী পক্ষে ছিলেন এডভোকেট কাজী আক্তার হামিদ।

 

বার্তা প্রেরক—

মনজিল মোরসেদ

সিনিয়র এডভোকেট

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট